গাজা সীমান্তে জড়ো হয়েছেন হাজারো ফিলিস্তিনি

মার্কিন দূতাবাস তেল অভিভ থেকে জেরুজালেমে সরানো প্রতিবাদ ও ‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন মুভমেন্ট’ এর অংশ হিসেবে অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইল সীমান্তে নির্মিত অত্যন্ত সুরক্ষিত দেয়ালের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।

সোমবার গাজা সিটির পূর্বের বেড়ার কাছে প্রতিবাদকারীরা জড়ো হলে তাদের ওপর মারণাস্ত্র ছুড়ে ইসরাইলি বাহিনী। এতে অন্তত একজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়াও, সেখানে জড়ো হওয়া হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে সৈন্যরা।

১৯৪৮ সালে ১৫ মে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পর শত শত ফিলিস্তিনিদের তাদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করা হয়। প্রতিবছর এদিনটিকে ফিলিস্তিরা নাকবা বা ‘বিপর্যয়’ হিসেবে পালন করেন।

এছাড়াও, মার্কিন দূতাবাস তেল অভিভ থেকে জেরুজালেমে সরানো প্রতিবাদে ও বিক্ষোভের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয়। এই স্বীকৃতির অংশ হিসেবেই দেশটি তার দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নিচ্ছে।

মার্কিন দূতাবাসের পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিক্ষোভকারীরা পশ্চিম তীরের অধিকৃত শহর রামাল্লা ও হিব্রোনেও জড়ো হয়েছেন। রামাল্লায়, নগরীর কেন্দ্র থেকে কুয়ালান্দিয়া সামরিক চেকপয়েন্টে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

১৯৪৮ সাল থেকে যেসব ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছিল, সেসব ফিলিস্তিনের শরণার্থীদের তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাবার অধিকার দাবিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজা স্ট্রিপের বিক্ষোভ চলছে। গত ৩০ মার্চ এই বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এপর্যন্ত ৪৯ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সৈন্যরা এবং আহত হয়েছেন ৮,৫০০ জনেরও বেশি। সূত্র: আল জাজিরা

LEAVE A REPLY