টেকসই স্বাস্থ্য ও কল্যাণময় জীবন

0
1

ড. এ কে আব্দুল মোমেন:

‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’র সফল বাস্তবায়নের পর বৈশ্বিক উন্নয়নের আরেক এজেন্ডা ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’র আওতায় সুনির্দিষ্ট কিছু অভীষ্ট ও লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশও গ্রহণ করেছে টেকসই উন্নয়নের এ বৈশ্বিক এজেন্ডা। কাঙ্ক্ষিত টেকসই উন্নয়ন অর্জনের জন্য সকল বয়সি সকল মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য থেকে জানা যায়, ২০০০-২০১৫ সময়কালে বিশ্বব্যাপী একদিকে যেমন পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হার এবং সংক্রামক ব্যাধির বোঝা হ্রাস পেয়েছে তেমনি অন্যদিকে বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে প্রত্যাশিত আয় বৃদ্ধি। এত উত্সাহব্যঞ্জক উন্নতি ঘটা সত্ত্বেও ২০১৫ সালে ৬ মিলিয়নের অধিক শিশু তাদের পঞ্চম জন্মদিনে পা ফেলতে পারেনি; জন্মদিন পালন করার পূর্বেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে তারা। প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সি শিশুর মৃত্যুহার ৪২ জন। আরেক হিসেবে দেখা যায়, ২০১৬ সালে সারা বিশ্বে প্রতি ১০০,০০০ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু হার ২১৬।

এসডিজি-৩ তাই তিন দিক থেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষাতাড়িত : এক, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটিয়ে সকল বয়সির স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বৃদ্ধি; দুই, অসংক্রামক ও মানসিক ব্যাধির প্রকোপ কমিয়ে আনা এবং তিন, প্রজনন-সম্পর্কিত মৌলিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ব্যবস্থার জন্য উন্নত সেবার সুযোগ বৃদ্ধি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মাতৃমৃত্যুর হার ক্রমান্বয়ে নিম্নগামী। ১৯৯৫ সালে প্রতি ১০০,০০০ জীবিত জন্মে গর্ভজনিত কারণে বা শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে মাতৃমৃত্যুহার ছিল ৪৪৭ জন, ২০১৭ সালে তা কমে নেমে এসেছে ১৭২ জনে, প্রায় আড়াই গুণ কমেছে। দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী ও ধাত্রীদের উপস্থিতিতে শিশু জন্মের অনুপাত ১৯৯৪ সালে ৯.৫ শতাংশ থেকে ২০১৪ সালে ৪২.১ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে আরো বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৫৩ শতাংশ পৌঁছেছে। আশা করা যায়, এই অনুপাত ২০২০ সালের মধ্যে বেড়ে দাঁড়াবে ৬৫.৭ শতাংশ। বাংলাদেশ মেটারনাল মোরটালিটি ও স্বাস্থ্যসেবা সমীক্ষা ২০১৬-এর তথ্য থেকে দেখা যায় ১৯৯৫ সালে প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার ছিল ১২৫ জন। ২০১৭ সালে তা কমে নেমে এসেছে ৩১ জনে। সবচেয়ে বড়ো সুখবর হলো, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের মৃত্যুহার ২০২০ সালের অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ২০১৭ সালেই অর্জিত হয়েছে। নবজাতকের মৃত্যুহারের ক্ষেত্রেও অর্জিত হয়েছে সাফল্য। ২০০০ সালে প্রতি হাজারে নবজাতক মৃত্যুহার ছিল ৩৯ জন। ২০১৭ সালে সেই সংখ্যা কমে নেমেছে ১৭ জনে। ২০০০-১৫ সময়ের মধ্যে নবজাতক মৃত্যুহার যেমন ধারাবাহিকভাবে কমেছে, তেমনি গ্রামীণ ও নগর-বৈষম্য দূর হয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শিশু স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিও নিশ্চিত হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে নবজাতকের মৃত্যুহার প্রায় ১৩-তে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে বাংলাদেশে এইচআইভি/ এইডস এবং ডেঙ্গুসহ যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কুষ্ঠরোগ, ফাইলেরিয়া এবং কালাজ্বর ছাড়াও নানাবিধ সংক্রামক রোগের ঝুঁকি সব সময়ই লক্ষ্য বেশি। তবে বাংলাদেশে এইচআইভি/ এইডসের প্রাদুর্ভাব বরাবরই কম। জাতীয় পর্যায়ে ২০১৬ সালে ১৫-৪৯ বছর বয়সি নারী ও পুরুষের মধ্যে এইচআইভি আক্রান্তের হার ০.০৪ শতাংশ থেকে ২০১৭ সালে যা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র ০.০১ শতাংশে (ইউএনএইডস-২০১৭)।

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে বর্তমান সরকার কাজ করছে দক্ষতার সঙ্গে। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার বৈশ্বিক টিবি রিপোর্ট ২০১৬ অনুযায়ী, বিশ্বের প্রথম ৩০টি যক্ষ্মা আক্রান্ত দেশের একটি হলো বাংলাদেশ। এখানে প্রতি এক বছরে ৩৬২,০০০ জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়। এই সংক্রমণের শিকার হয়ে মারা যায় বছরে প্রায় ৭৩,০০০ মানুষ। এদেশে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ‘মাল্টি ড্রাগ রেজিসট্যান্স টিবি’ বা (এমডিআরটিবি)—যার কারণে প্রতি বছর আনুমানিক ৯,৭০০ মানুষ আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশ জাতীয় টিবি প্রোগ্রাম (এনটিপি) তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে যক্ষ্মারোগ নির্ণয় এবং তা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সাধারণ স্বাস্থসেবার সঙ্গে সঙ্গে বিনা মূল্যে যক্ষ্মারোগ নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ সেবা সারা দেশে সহজলভ্য করা হয়েছে।

অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশেও দ্রুত গতিতে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এর পেছনে প্রধানত দায়ী খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশগত অবনতি, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও বার্ধক্য। অন্যদিকে, হূদেরাগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের নানাবিধ রোগ এই অসংক্রামক রোগঝুঁকি বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক। তবে এইসকল রোগে ৩০ থেকে ৭০ বছর বয়সি মানুষদের মৃত্যুর আশঙ্কা সময়ের বিবর্তনে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি যেমন, ২০১৫ সালে ছিল ২১.৭ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ছিল ২১.৬ শতাংশ (ডব্লিউএইচ-২০১৭)।

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অসংক্রামক রোগে অসুস্থতা ও মৃত্যুর একটি বড়ো কারণ হলো তামাকের ব্যবহার। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারকারী ১০টি দেশের একটি হলো বাংলাদেশ, যদিও ২০০৩ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম তামাক নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল’ চুক্তিতে সই করে। ২০১৫ সালের তথ্যমতে, ১৫ বছর এবং তার বেশি বয়সি পুরুষদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা ৫৮ জন এবং নারীদের মধ্যে ২৮ জন (ডব্লিউটিও, ২০১৭)। গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (জিএএস)-এর হিসেব অনুযায়ী ১৫ বছর ও তার বেশি বয়সি ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমানে তামাক ব্যবহারের বয়স-মানসম্মত প্রবণতা বেশ কমেছে। ২০০৯ সালে যে হার ছিল ৪৩.৩ শতাংশ, ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৩৫.৩ শতাংশে। ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ তামাকমুক্ত দেশ হতে চায়।

বাংলাদেশ ১৯৭৯ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইমিউনাইজেশন (ইপিআই) সম্প্রসারিত প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি কার্যকর জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এই কর্মসূচি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ববাহী হয়ে ওঠে ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ যখন জাতিসংঘে ১৯৯০ সালের মধ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে। যে ছয়টি শিশুরোগ নিয়ে এই কর্মসূচি গঠিত, সেগুলো হলো পোলিও, হাম, ঘুংড়ি কাশি, টিটেনাস, ডিপথেরিয়া ও যক্ষ্মা। দীর্ঘ মেয়াদে সাশ্রয়ী ওষুধ ও ভ্যাকসিন প্রাপ্তির ভিত্তিতে জনসংখ্যার অনুপাত ২০১৪ সালে দাঁড়ায় ৭৮ শতাংশে (বিডিএইচএস, ২০১৪)। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের তথ্যমতে, ১২ মাস বয়সি শিশুদের ভ্যাকসিন প্রাপ্তির অনুপাত ৮২.৩ শতাংশ এবং ২৩ মাস বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত ৮৬.৮ শতাংশ। স্বাস্থ্য গবেষণা ও মৌলিক স্বাস্থ্য খাতে মোট নিট সরকারি উন্নয়ন সহায়তা ২০১২ সালে ছিল ২৭৪.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭ সালে এ খাতে সহায়তার পরিমাণ ছিল ২৫২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সরকারের কিছু পদক্ষেপ : বাংলাদেশ সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য ১৯৯৮ সাল থেকে খাতবিস্তৃত পদ্ধতি অনুসরণ করে আসছে। এখন পর্যন্ত তিনটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং চতুর্থ কর্মসূচি—স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি) জানুয়ারি ২০১৭ থেকে জুন ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। চতুর্থ কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি) হলো তিনটি আনুক্রমিক সফল কর্মসূচির মধ্যে প্রথমটি, যা ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়িত হবে। বর্তমান কর্মসূচির তিনটি উপাদান রয়েছে। এক. সেক্টরের শাসন ও নেতৃত্ব; দুই. শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা; এবং তিন. মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা। এর মধ্যে প্রথম উপাদানটি ওষুধ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত ওষুধ ব্যবস্থাপনা, আইন ও পরিচালনা পদ্ধতি, বিএমডিসি, এসএমএফ ও এনজিওগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে। দ্বিতীয় উপাদানের কাজ হবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করা। বিশেষ করে পরিকল্পনা, বাজেট নির্ধারণ, পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন, সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনা, আন্তঃবিভাগ যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এই উপাদান কাজ করবে। তৃতীয় উপাদান কাজ করবে স্বাস্থ্যসেবার অগ্রাধিকারভিত্তিক গুণগত মানোন্নয়নে, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত এসডিজির লক্ষ্যগুলো অর্জন করা সহজ হয়ে পড়বে।

সর্বজনীন স্বাস্থ্য প্রচারণা পদ্ধতি (ইউএইচসি) :২০৩০ সালের মধ্যে ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ (ইউএইচসি)-এর লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য চতুর্থ এইচপিএনএসপিকে যুক্ত করা হয়েছে, যার প্রধান লক্ষ্য হলো সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সহায়তায় প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রথম স্তরের সুবিধা হিসেবে দেশব্যাপী কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কর্মসূচিগুলোর মধ্যে একটি, যা বিশ্বব্যাপী ‘পিএইচসি’ মডেল হিসেবে স্বীকৃত। এখানে দিনে গড়ে প্রায় ৪০ জন রোগী সেবা পেয়ে থাকে, যাদের মধ্যে ৯০ ভাগই হলো নারী ও শিশু।

অপরিহার্য পরিষেবা প্যাকেজের বিধান (ইএসপি) :স্বাস্থ্য অধিকার এবং সর্বাধিক প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবাগুলোতে সকলের যথাযথ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ইএসপি বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারকেই প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৯৮ সালে এই প্রোগ্রাম প্রথম চালু করা হয় এবং রোগের ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্যাকেজটিকে হালনাগাদ করা হয়।

লিঙ্গ, সমতা, মতামত ও স্বচ্ছতা (জিইভিএ) :জিইভিএ একটি খাতভিত্তিক প্রোগ্রামের ভিত্তিপ্রস্তর, যার মূল লক্ষ্য হলো নারীদেরকে মানসম্মত সেবা প্রদান, নারী ও কিশোরীদের মার্যাদা, শ্রদ্ধা ও গোপনীয়তাসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

টিকা সম্প্রসারণ কর্মসূচি (ইপিআই) :মাতৃ ও নবজাতক এবং শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে টিকা সম্প্রসারণ কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সফল কার্যক্রম। বাংলাদেশ এর মাধ্যমে এক বছর বয়সি প্রায় ৮০ শতাংশ শিশুকে পরিপূর্ণ টিকা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে (এনআইপিওআরটি, ২০১৬)। পরিবেশগত দূষণের দিক বিবেচনায় স্বাস্থ্যসেবা খাতের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। সরকার একটি স্বাস্থ্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এইচসিডব্লিউএমপি) প্রস্তুত করেছে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল খাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এ দেশে উন্নয়নের যে ধারা সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত থাকলে টেকসই উন্নয়নের পথে আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

লেখক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আপনার কমেন্ট এখানে পোস্ট করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here