গ্রেগরি প্রবর্তিত বর্ষপঞ্জি বনাম বাংলা সন

0
14

আতাহার খান :

আজ পহেলা বৈশাখ। প্রকৃতিতে এখন চঞ্চলতা আর অস্থিরতার আমেজ। চারদিকের গাছ-গাছালির পাতায় সবুজ রং জমিয়ে বসেছে। এমন পরিবেশে নতুন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু হল ১৪২৬, বাংলা নতুন বছরের। আজ এ দিনের সূর্যোদয় পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের কাছে গতানুগতিক মনে হলেও, এ জনপদে বসবাসকারী মানুষের কাছে সম্পূর্ণ আলাদা আবেগ-অনুভূতি-উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠা একটি মাধুর্যমণ্ডিত দিন।

পহেলা বৈশাখ আমাদের একমাত্র উৎসব, যা বাঙালি পরিচয়কে গুরুত্ববহ করে তোলে সবচেয়ে বেশি। তাই দিনটি একই সঙ্গে পালিত হয় শহর ও গ্রামে, সমান মর্যাদায়। আয়োজন করা হয় বিশেষ ধরনের অনুষ্ঠান আর মেলা। শুধু সমতল ভূমির বাংলাভাষীরাই নয়, পহেলা বৈশাখ আদিবাসী জনগোষ্ঠীরও উৎসবের দিন। বৈসাবি পাহাড়ি আদিবাসীদের অন্যতম প্রধান আনন্দের উৎসব।

কবে থেকে, কোন সুপ্রভাতে প্রথম শুরু হয় পহেলা বৈশাখ উৎসব- এ জিজ্ঞাসা দেখা দিতেই পারে! তার উত্তর হল এ উৎসবের ইতিহাস বেশি দিন আগের নয়। চর্যাপদে তো বটেই, মধ্যযুগের কবিতার কোথাও নেই পহেলা বৈশাখ উৎসবের কোনো উল্লেখ। নাগরিকতার ছোঁয়া পেতে একে করতে হয়েছে আরও কিছুদিন অপেক্ষা। বছরের শেষদিন চৈত্রসংক্রান্তি আর নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ, এ দু’দিন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রচলন হয় ইংরেজ আমলের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হওয়ার পর থেকে। বছরের শেষ মাস চৈত্রের শেষদিন ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বকেয়া আদায় করার পর চালু করে নতুন খাতা আর নতুন বছরের প্রথম মাসের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ উৎসব হয় জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায়। সেখানে থাকত কবিয়ালদের গান, নানা উৎসব আয়োজন।
হ্যাঁ, প্রশ্ন উঠতে পারে পকেটের পয়সা খরচ করে জমিদাররা কেন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করতেন। নিশ্চয়ই পহেলা বৈশাখের সাংস্কৃতিক উৎসবকে মহিমান্বিত করা তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়- তাদের লক্ষ্য ছিল খাজনা আদায়। আর দিনটাও বেছে নেয়া হয় নতুন বছরের প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিনকেই। কারণ তখন ঘরে ঘরে ওঠে নতুন ফসল, কৃষকের চোখে-মুখে থাকে আনন্দের ছটা। পহেলা বৈশাখ উৎসবের শুরুটা ছিল এভাবেই। এ সম্পর্কে মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ‘নববর্ষ উৎসব’ শিরোনামের এক রচনায় উল্লেখ করেছেন, ‘জমিদারিপ্রথা যতদিন চালু ছিল, ততদিন বাংলা নববর্ষ পুণ্যহ হিসেবে পালিত হতো। জমিদাররা প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করত পহেলা বৈশাখ থেকে।’ তবে পহেলা বৈশাখ উৎসব উদযাপন প্রথম কে করেন, এ নিয়ে গবেষক, প্রাবন্ধিক শামসুজ্জামান খান আরও পরিষ্কার করে বলেছেন। তিনি তার এক রচনায় একথাই বলার চেষ্টা করেছেন, পহেলা বৈশাখের উৎসব প্রথম শুরু হয় ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে এবং সেখান থেকেই পর্যায়ক্রমে এ উৎসব ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। তবে কোনো কোনো গবেষক মনে করেন, ওই একই সময়ে অন্যান্য জমিদারও আনুষ্ঠানিকভাবেই পহেলা বৈশাখ উৎসব পালন করতেন।

ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা বৈশাখ পালনের প্রথম খবর পাওয়া যায়, প্রখ্যাত সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরীর এক রচনায়। তিনি লিখেছেন, ‘সেদিনের পহেলা বৈশাখে মাহবুব আলী ইন্সটিটিউটের মঞ্চটি আমার চোখের সামনে এখনও জ্বলজ্বল করে ভাসছে। মঞ্চে অন্যদের মধ্যে উপবিষ্ট ছিলেন অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী।’ উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ১৯৫১ সালে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিল ‘লেখক-শিল্পী মজলিস’ নামে একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানটির জন্য বিভিন্নজনের কাছ থেকে তোলা হয়েছিল চাঁদা।

আমরা জানি, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ঢাকাকে কেন্দ্র করে যে মুসলিম বাঙালি মধ্যবিত্তের উদ্ভব ঘটে সেখানে তাদের চিন্তা-চেতনায় এবং ভাবনায় পহেলা বৈশাখ নিয়ে কোনো আগ্রহই ছিল না। প্রকৃত অর্থে ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকেই শুরু হয় সমাজের এ অংশের মধ্যে আত্মপরিচয় সম্পর্কে নতুন জিজ্ঞাসা। তারা পর্যায়ক্রমে শুরু করতে থাকেন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞানের সন্ধান। ভেতরে ভেতরে তাদের মধ্যে তীব্র হয়ে ওঠে পরিত্যক্ত সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান পুনরুজ্জীবনের আকাঙ্ক্ষা। মনোজগতের এ আত্মপরিচয়ের জিজ্ঞাসা যখন ধীরে ধীরে চারদিক ছড়িয়ে পড়ছিল ঠিক সে সময়ই, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে পহেলা বৈশাখ সরকারি ছুটি ঘোষণার ঘটনাটি বাঙালি জাতীয়বাদকে সামনে নিয়ে আসে। ধর্মীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তখন এ সমতল ভূমির অগ্রসর মানুষের কাছে ভাষাগত প্রশ্নে ‘বাঙালি’ পরিচয়টিও হয়ে ওঠে অত্যন্ত পরিষ্কার। আরও স্পষ্ট করে বলি, সরকারি ছুটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ দিনটি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে তৈরি করে দেয় অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকশিত হওয়ার সুযোগ। ১৯৬১ সালের তদানীন্তন সেনাশাসক আইয়ুব খানের অঙ্গুলী নির্দেশে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী পালন করতে না দেয়া এবং ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানি বেতারে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ- এ দুটি ঘটনা মধ্যবিত্ত বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায় কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি, বরং তারা ভেতরে ভেতরে তাদের স্বাধীন সাংস্কৃতিক পরিচয় খুঁজে বের করতে প্রচণ্ডভাবে তৎপর হয় এবং তা আরও স্পষ্ট রূপ নেয় বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশ ও ষাটের দশকজুড়ে। পহেলা বৈশাখের উৎসবকে অর্থময় করার ক্ষেত্রে ছায়ানটের ভূমিকা কোনো অংশেই কম নয়। তাদের উদ্যোগেই ১৯৬৭ সালে রমনা বটমূলে প্রথম অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতায়োজন এবং পরবর্তী সময়ে এ সঙ্গীতায়োজনকে ঘিরে রমনা পার্কে বৈশাখী মেলার আয়োজন সর্বস্তরের বাঙালির শেকড় সন্ধানের চেষ্টা মোটেও ব্যর্থ হয়নি। এর পরের সবচেয়ে বড় ঘটনা প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ছাত্র-শিক্ষকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা। ১৯৮৯ সাল থেকে এর প্রথম পথচলা শুরু। সত্যিকার অর্থে পহেলা বৈশাখ উৎসবে মঙ্গল শোভাযাত্রা যোগ করে নতুন মাত্রা। আর সর্বশেষ অর্জন হল স্বাধীন বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা বৈশাখকে জাতীয় উৎসবের মর্যাদায় অভিষিক্ত করা।

পহেলা বৈশাখ উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলা নতুন বছরের পথচলা। ইতিহাসবিদরা মোগল সম্রাট আকবরের পুণ্যাহের ধারাবাহিকতার সঙ্গে নববর্ষের ঐতিহ্যের মিল খুঁজে পান। হ্যাঁ, সম্রাট আকবরের নির্দেশ অনুযায়ী আমির ফতেহ উল্লাহ সিরাজি ‘তারিখ-ই-ইলাহি’ চালু করেন ৯৬৩ হিজরি অর্থাৎ ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। বর্ষপুঞ্জি সংস্কারের ক্ষেত্রে সম্রাট আকবর সত্যিই দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তার অব্দটি হল সৌর অব্দ- আর গণনার পদ্ধতিটিও ছিল সৌরভিত্তিক। ঋতুর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অব্দ আবর্তিত হয় এবং এর প্রচলন শুরু হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের দিন থেকে। বঙ্গাব্দের শুরু নিয়ে কোনো কোনো পণ্ডিত অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করেন। তারা মনে করেন, রাজা শশাঙ্কই বঙ্গাব্দের প্রবর্তক। এ নিয়ে আরও একটি অভিমত হল, মধ্যযুগে হোসেনশাহীর আমলে প্রচলন হয় বঙ্গাব্দের। তিনি বাংলা ভাষা উন্নয়নে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। এর অবশ্য ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে; কিন্তু বঙ্গাব্দ প্রচলনে তার সংশ্লিষ্টতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা যায়নি। তাই উল্লিখিত ওই দু-মতই ঐতিহাসিক প্রমাণ, যুক্তি, তথ্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের অভাবে হালে পানি পায়নি।

বাংলা বর্ষপুঞ্জির প্রথম সংস্কার হয় ১৯৫২ সালে ভারতের বিশিষ্ট জ্যোতির্পদার্থবিদ ড. মেঘনাদ সাহার হাত দিয়ে। ১৯৫৭ সালে ভারত সরকার তার এ সংস্কারের সুপারিশ গ্রহণ করেন। ড. সাহার সেই সুপারিশকেই সামনে রেখে ১৯৬২-৬৩ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা বর্ষপুঞ্জি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়। বিশিষ্ট ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ১৯৬৫ সালের মধ্যেই সুপারিশমালা চূড়ান্ত করে। তারপর এ সুপারিশ ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে থাকে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদই প্রথম সরকারি নথিতে স্বাক্ষরসহ বাংলা সন চালুর নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই একই কার্যধারা চালু থাকে। এরপর অনেক পথঘাট পার হয়ে ১৯৮৭ সালে এসে জেনারেল এরশাদ সরকারি সব কাজকর্মে ইংরেজি সাল-তারিখের পাশাপাশি বাংলা তারিখ লেখার নির্দেশ দেন এবং শহীদুল্লাহ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করে বাংলা ক্যালেন্ডার তৈরির নির্দেশও জারি করেন। কিন্তু তখন লিপইয়ার নিয়ে দেখা দেয় সমস্যা। শহীদুল্লাহ কমিটির সেই লিপইয়ার সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে আবার নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়। গত শতাব্দীর নব্বই দশকের প্রথম দিকে গঠন করা হয় বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বর্ষপুঞ্জি সংস্কার কমিটি। এই কমিটি ১৪ এপ্রিলকে বাংলা বর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ বৈশাখ হিসেবে ঠিক করে। এতে অবশ্য বাংলা ও ইংরেজি সালের তারিখ নিয়ে আর কোনো সমস্যা থাকল না সত্য। কিন্তু তারপরও কি নিশ্চিত করে বলা যায় সমস্যা পুরো দূর হয়ে গেছে? বাংলাদেশের বাইরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আগরতলায় পহেলা বৈশাখ পালিত হয় ১৫ এপ্রিল। পহেলা বৈশাখ পালন নিয়ে একদিন আগে-পিছের সমস্যাটি রয়ে গেছে বহির্বিশ্বেও। সেখানেও বাংলাদেশের বাঙালি আর ভারতীয় বাঙালিদের মধ্যে রয়েছে পহেলা বৈশাখ পালন নিয়ে তারিখগত সমস্যা ও জটিলতা। এটা সত্যই দুঃখজনক। আমাদের অজানা, পহেলা বৈশাখ নিয়ে এ সংকট আসলেই কি দূর হবে?

তারপরও আমরা নতুন বছরে পা দিয়েছি। আজ থেকে শুরু হল ১৪২৬ সনের পথচলা। বছরটি কেমন কাটবে? আশাবাদী মানুষের উত্তর হবে- ভালো, হ্যাঁ খুব ভালো। কিন্তু প্রশ্ন ঠিকই থেকে যায়- পহেলা বৈশাখ উৎসবের সার্বজনীন আবেদন রক্ষা করার স্বার্থে আমরা কি সত্যি সত্যি আন্তরিক? আশায় বসতি সাজিয়ে আমরা কি বলতে পারি, বাংলা সনের পথচলার সঙ্গে আমাদের রয়েছে স্বকীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়? এতটা কি আমরা করতে পারি আশা? না, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া সেই আশা কিছুতেই পূরণ হয় না। কারণ গ্রেগরি প্রবর্তিত বর্ষপুঞ্জির আধিপত্য অপ্রতিরোধ্য- আমাদের প্রতিদিন তো বটেই, জাতীয় জীবনেও এ পঞ্জিকার অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়। চোখে আঙুল দিয়ে এটা দেখিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই বোধ করি! ১৯৪৮ সালে শুরু হওয়া ভাষার লড়াই ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজপথ রক্তে রাঙিয়ে নতুন বাঁক নিয়ে শুরু করে পথচলা। বাংলা সন অনুযায়ী দিনটি ছিল ৮ ফাল্গুন। আজ হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ৮ ফাল্গুনের তারিখ। এখন আমরা বলছি আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি- আমাদের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর, আমাদের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ। বলুন, কোথায় নেই গ্রেগরি প্রবর্তিত বর্ষপুঞ্জির প্রভাব! সরকারি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দিন-গণনা শুরু হয় গ্রেগরিয়ান বর্ষপুঞ্জিকা অনুযায়ী। সেখানে বঙ্গাব্দের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। শুধু একদিনের অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যেই কি বঙ্গাব্দ বেঁচে থাকবে? জানি না, এ থেকে আমরা কবে বেরিয়ে আসব!

আতাহার খান : সাংবাদিক

LEAVE A REPLY