‘ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে নির্দয়ভাবে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ’

0
8

আমার কাগজ প্রতিবেদক :

ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ নির্দয়ভাবে লাঠিপেটা করেছে এমন অভিযোগ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, একটি স্বাধীন দেশে স্বাধীনতার ৫০ বছর যখন আমরা পালন করতে যাব, তখন একটি অন্যায়ের প্রতিবাদ যদি করতে দেয়া না হয়। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক যে লেখক মুশতাক কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছে। এখানে কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সরকার এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না। এর প্রতিবাদে আপনারা দেখেছেন ছাত্ররা শাহবাগে প্রতিবাদ জানিয়েছিল মশাল মিছিল করেছিল। কিন্তু অন্যায়ভাবে নির্দয়ভাবে এসব ছাত্রদের ওপর হামলা করেছে, নির্যাতন করেছে। তার প্রতিবাদে ছাত্রদল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ নির্দয়ভাবে ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ারগ্যাস মেরেছে। এতে অনেক ছাত্র আহত হয়েছে, গ্রেপ্তার হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দাবি করছি।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ-ছাত্রদল নেতাকর্মী ও গণমাধ্যম কর্মীসহ ৩০জনের বেশি আহত হয়েছে।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে’ পুলিশের এমন বক্তব্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মোশাররফ বলেন, ‘আমি একটা আলোচনা সভায় ছিলাম। বাহিরের ঘটনা সঠিকভাবে বলতে পারছি না।’

ছাত্রদলের কতজন গ্রেপ্তার, কতজন আহত- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির এই নেতা বলেন, আহত হয়েছে কতজন তা সঠিকভাবে এখনো বলতে পারছি না। তবে তারা গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।

এর আগে প্রেসক্লাবে জিয়া পরিষদের এক অনুষ্ঠানে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার ইচ্ছা করলেই জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিল করতে পারে না। জিয়াউর রহমান এদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এ সমস্ত খেতাব পদবি বর্তমান সরকার তাকে দেয়নি, রাষ্ট্র দিয়েছে। সরকার সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাকে নিয়ে সমালোচনা করছে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, ইচ্ছা করলে জিয়াউর রহমানের খেতাবের কাগজ ছিঁড়ে ফেলা যায়, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

আপনার কমেন্ট এখানে পোস্ট করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here