সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে

0
44

আমার কাগজ প্রতিবেদক:

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সময় রাজধানীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় দায়ীদের খুঁজে বের করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মদিন’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উসকানি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে তাদেরও চিহ্নিত করে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে।’

তিনি এ সময় সাংবাদিকদের দাবির সঙ্গেও একাত্মতা পোষণ করেন। বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ২৫-৩০ বছরের যুবকদের ড্রেস পরিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থী বানিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় একটি মহল প্রচণ্ড হতাশ। এরা কারা? এরা বিএনপি-জামায়াত ও ১/১১’র কুশীলব। সেই ১/১১’র কুশীলবদের নেতা ছিলেন ড. কামাল হোসেন। তিনি ওয়ান ইলেভেনের পরবর্তী সরকারের সময় বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এ সরকার যতদিন ইচ্ছা ততদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে।’ অর্থাৎ তিনি ১/১১’র কুশীলবদের নেতা ছিলেন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগস্ট মাস বাঙালির জন্য শোকের মাস। এ বছরও আগস্ট মাসকে ঘিরে কুচক্রি মহল বিএনপি-জামায়াত ও ১/১১’র কুশীলবরা দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। এমনকী সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভর করেও দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছিল। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীসহ আমরা সবাই তাদের সমর্থন দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম, এই আন্দোলনে বিভিন্ন বয়সের জামায়াত-বিএনপির ক্যাডাররা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে।’

‘এখন ১৪ কোটি মানুষের হাতে ক্যামেরা এবং রাস্তায় সিসি ক্যামরা সুতরাং কোনোকিছুই লুকোনোর সুযোগ নেই। ফলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, ফজলুল হক মিলন, আসিফ নজরুলসহ সবাই কোমলমতিদের উসকানি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে। আবার কিছু কিছু অভিনেত্রী এমন অভিনয় করলেন যেন সবকিছু নিজের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন। আপনারা নাচগান নিয়েই থাকতেন। আপনারা কেন শিশু-কিশোরদের উসকানি দিতে গেলেন? গুজব রটনাকারী এসব অভিনেত্রীর পেছনেও কারা আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘যারা এ ষড়যন্ত্র করেছে, যারা পেছন থেকে বাতাস দিয়েছে ও দিচ্ছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক। যেন দেশে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা আর কেউ সৃষ্টি করতে না পারে।’

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রতন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, অভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাস, কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

আপনার কমেন্ট এখানে পোস্ট করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here